চোর ডাকাতে তিক্ত দেশবাসী

0
75
চোর
চোর ; ছবিঃ গুগল

দেশে বেড়েছে চোর ডাকাতের উপদ্রব। এখন দেশে প্রায় সব জায়গায়ই চুরি-ডাকাতির এর মতন কেস গুলো দেখা যাচ্ছে। এমন চুরি-ডাকাতি এর আগে কখনোই ঘটেনি। চুরি ডাকাতির মূল কারণ কি আসুন জেনে নেওয়া যাক।

বিশেষজ্ঞদের মতে অনেকেই করোনার কারণে বর্তমানে অনেকেই চাকরি হারিয়েছে কাজ পাচ্ছে না আবার অনেকে বেকার বসে আছে মূলত করোনার কারণে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে লোকের কাজের জায়গা হ্রাস হয়েছে। কিছুদিন আগে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম যে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিকরা কাজের অভাবে দাঁড়িয়ে ছিল তাদের সাথে কথা বলে দেখা গেছে যে করোনার ভয়ে অনেকে তাদেরকে কাজ দিচ্ছে না। তারা দৈনিক খেটে খাওয়া মানুষ। এমনতো অবস্থায় প্রাই দিনই তারা না খেয়ে থাকে। এজন্যই দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন জেলায় চুরি ডাকাতির মতন কাজগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে। যারা যাদের বাড়িঘর চুরি হয়েছে তাদের থেকে জানা গেছে যে তাদের বাসার সব আসবাবপত্র বলতে গেলে চেয়ার-টেবিল বিছানা খাট তোষক সবকিছুই তারা চুরি করে নিয়ে গেছে। চুরির কারণ জানতে গেলে কোনো উত্তর মেলেনি একজন ভিকটিমের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে তারা তাদের আত্মীয়র বাসায় বেড়াতে গিয়েছিল এমন অবস্থায় তারা ফিরে এসে দেখে তাদের বাসা তালা ভাঙ্গা এবং ঘরের জিনিসপত্র অগোছালো তাদের বেশ কয়েকটা অনেক মূল্যবান জিনিস চুরি হয়ে গেছে আরো অনেকের সাথে কথা বলে দেখা গেছে যে তাদের বাসার ফ্রিজ টিভি ছোট ছোট জিনিস পর্যন্ত চুরি করে নিয়ে গেছে
কিছুদিন আগে একজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে যে সে অনেক রাতে বাড়ি ফেরার সময় রাস্তায় তাকে দূর্বৃত্তরা আটক করে জানা যায় যে তারা ডাকত ছিল। ডাকা তারা তাকে আটক করে তার কাছ থেকে মূল্যবান জিনিস মোটরসাইকেল তার কাছে যত টাকা ছিল সব কিছু কেড়ে নিয়েছে, তাদের হাতে পায়ে ধরে তার জীবন ভিক্ষা চেয়েছে।
এ থেকে জানা যাচ্ছে যে দেশে চোর-ডাকাতের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। এই চোর ডাকাতির মূল অন্তরায় হল করোনা ভাইরাস এ ভাইরাস মানুষের জীবনযাত্রার অনেক কঠিন করে দিয়েছে। করণা ভাইরাসের জন্য লকডাউন দেয়া হচ্ছে তার বেশিরভাগই ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষেরা যারা খেটে খায়। এইসব খেটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে কেউ ভাবে না, কিন্তু এই সকল মানুষদেরকে নিয়ে ভাবা উচিত আমাদের, এদের কথা চিন্তা করে হলেও বর্তমানে লকডাউন শিথিল করা উচিত, আমাদের দেশে করোনাভাইরাস মূল কারণ হলো ভ্যাকসিন, আমাদের দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন সরবরাহ নেই, প্রতিবেশী বন্ধু ভারত তারা ভ্যাকসিন এর জন্য অনেক টাকা বাংলাদেশ থেকে নিয়েছে কিন্তু তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন চালান বন্ধ রেখেছে, বর্তমানে করোনা প্রতিরোধের মূল হাতিয়ার হলো ভ্যাকসিন, অনেকের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার সময় এসে গেছে কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন না থাকায় প্যারা নিতে পারছে না সরকার বলেছে তারা ম্যাস ভ্যাকসিনেশন করবে। সরকার চীন-রাশিয়ার সাথে ভ্যাকসিন এর জন্য আলাপ আলোচনা করছে যত দ্রুত আমরা ভ্যাকসিন পাব ততো দ্রুত আমাদের দেশের এই খেটে খাওয়া মানুষগুলোর দুঃখ ঘুচবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here